Header Ads

অদৃশ্য শক্তির চাপেই মুফতী ওয়াক্কাসের ভিন্নপথে হাটা, অনুসন্ধানী রিপোর্ট-

চিত্রে থাকতে পারে: 4 জন ব্যক্তি

বিশেষ অনুসন্ধানী রিপোর্ট- নির্বাহী সভাপতির পদ নয় মূলত অদৃশ্য শক্তির সামনে বাধ্যবাদকতা এবং বিশাল অংকের অর্থ লেনদেনই মুফতি ওয়াক্কের জমিয়ত হতে বিচ্ছিন্নতার মূল কারণ !! (পুর্ব প্রকাশের পর)
প্রসঙ্গক্রমে বহুল জনপ্রীয় একটি ডায়লগ মনে পড়ে গেল-
"سیاست کےمیدان میں جو ہوتا ہے وہ دکھائی نہیں دیتا اور جو دکھائی دیتا ہے وہ ہوتا نہیں"
(রাজনীতির মাঠে যা হয় তা কখনও দেখা যায়না, আর যা দেখা যায় তা কখনও হয়না) আসলে জমিয়ত হতে মুফতি ওয়াক্কাসের বিচ্চিন্নতার কারণ খুঁজতে গেলে বাহ্যিক ভাবে যদিও আমেলা কতৃক উনার নির্বাহী সভাপতির পদকে বিলুপ্তিকরণ দেখা গেলেও বিগত কেন্দ্রীয় কাউন্সিল হতে নিয়ে ততপরবর্তী জমিয়তের রাজনীতিতে মুফতি সাহেবের সার্বিক দিক পর্যালোচনা করে বিশেষ ভাবে উপলব্ধী করলে প্রায় নিশ্চিত করেই বলা যায় যে, এখানে ভিন্ন কোন অদৃশ্য বিষয় আছে! কোন কোন মহলের ধারণা যে, এই পদ পুনর্বহাল করে দিলেই দলের ঐক্য তথা মুফতি ওয়াক্কাসকে দল হতে বিচ্চিন্ন হওয়া থেকে রুখা সম্ভব হয়ে যাবে! এর জন্য ঐক্য প্রচেস্টাকারী বিশেষ বিশেষ কারও ঐক্যের যেকোন আলোচনায় সোজা সাপটা এই প্রস্তাব সামনে নিয়ে আসতেও দেখা গেছে বা যাচ্চে! এখানে তারা দলের সভাপতি শায়খে ইমামবাড়ীকেও অনেক করে ইমুশনাল ব্লাকমেইলের মাধ্যমে বিশেষ আমেলা ডেকে বিষয়টির ঘোষণা দিতে চাপও সৃষ্টি করেছিল, এবং এখনও সেই প্রচেষ্টায় আছে!
কিন্তু কথা হলো- এই বিচ্চিন্নতার মুলে যদি নির্বাহী সভাপতির পদের বিলুপ্তি হয়ে থাকে তাহলে প্রশ্ন জাগে- মুফতি ওয়াক্কাস সাহেব দল হতে বিচ্চিন্ন হয়ে যাওয়ার হুমকি ধমকির বিনিময়ে ৭ নবেম্বর ২০১৫'র কাউন্সিলে কাঙ্কিত পদটি হাসিল করার পরও কেন বার বার এই নির্বাহী সভাপতির পদটিকে বিতর্কিত করার চেস্টা চালিয়ে আসছিলেন?! কাউন্সিলের পর পরই দলীয় ফোরামে কোন রকমের আলোচনা না করেই একা একাই দলের ঢাকা মহানগর কমিটি ঘোষনা করা, এর কিছু দিন যেতে না যেতেই একই কায়দায় দলীয় কাউন্সিলে নির্বাচিত দলের যুব বিষয়ক সম্পাদকের পরিবর্তে অন্য আরেকজনকে সভাপতি ধার্য্য করে নিজে নিজেই যুব জমিয়তের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষনা করা, আওয়ামী সরকারের এজেন্টা বাস্তবায়নে আব্দুল লতিফ নেজামী ও মুফতি ফয়জুল্লাহর নেতৃত্বাধীন ইসলামী ঐক্যজোটের বিশ দল ত্যাগের সংবাদ সম্মেলনে দলের সভাপতি সহ কারও সাথে পরামর্শ ছাড়াই নির্লজ্জের মত উপস্থিত হয়ে দলের ভাবমূর্তী ক্ষুন্ন করা, কেন্দ্রীয় তত্ববধানে গঠিত সিলেট মহানগরও মৌলভীবাজার জেলা কমিটির বেলায় কেন্দ্রভ্রষ্টদের প্রকাশ্যে ইন্ধন দিয়ে কেন্দ্রের প্রতি অশ্রদ্ধাশীল করে তুলা, প্রতিটি কেন্দ্রীয় আমেলার মিটিংগে সভাপতির উপর নিজের ক্ষমতা কাটানোর অপপ্রয়াস চালানো, স্থানে স্থানে প্রকাশ্যে সভাপতিকে লাঞ্চিত করা, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের উপর অহেতুক অনিয়ম আর সেচ্চাচারিতার অভিযোগকে আউন্মোক্ত ভাবে যেখানে সেখানে আলচনা করা, কথায় কথায় অযথা মুদ্দা নিয়ে আমেলার বৈঠক হতে ওয়াক আউট করে চলে যাওয়া, সর্বশেষ মহাসচিব বরাবরে নির্বাচন কমিশনের চিঠি নিজের লোক দিয়ে প্রতারণামুলক নিয়ে আসা ইত্যাদি বিষয়গুলা কি নির্বাহী সভাপতি পদের কাজ? এসব কি পদটিকে চরম বিতর্কিত করে তুলে দলের কার্যনির্বাহী কমিটিকে এই পদকে বিলুপ্ত করার প্রতি বাধ্য করা নয়? জমিয়তের মাঝে এই পদের সৃস্টির প্রায় দুই যেগের । ইতিহাসে ইতিপর্বে কখনও পদটি এত বিতর্কিত হয়নি! মুফতি ওয়াক্কাসের পুর্বের কোন নির্বাহী সভাপতি সভাপতির উপরে সভাপতির উপস্থিতিতে পাওয়ার কাটানো বা দলীয় ফোরামে আলচনা ব্যাতিরেখে শুধু পদের ক্ষমতা বলে একক ভাবে দলের গুরুত্বপুর্ন কোন কার্যক্রম করা কিংবা একেবারে নগ্ন কায়দায় দলের স্বার্থ পরিপন্থি কাজ করে বেড়ানো অথবা মহাসচিব বরাবরের সরকারী অফিস আদালতের কোন বার্তা নিয়ে লুকোচুরি খেলা করতে দেখা যায়নি!
এখন বুঝার ব্যাপার হলো- তাহলে কোন সে অদৃশ্য বিষয় যার কারণে মুফতি ওয়াক্কাস তাঁর জীবন ও যৌবনের সিংহভাগ সময় ব্যায়ে আগলে রাখা সংগঠনকে ছেড়ে বিচ্ছিন্ন হতে গেলেন! এখানে অনেক তদন্ত এবং অনুসন্ধান করে ২টি বিষয় সামনে আসে! ১. অবৈধ পন্থায় ক্ষমতা দখলকারী আওয়ামী লীগ সরকারের প্রবল চাপ, ২. ২০ দলীয় জোটকে দুর্বল করতে সরাসরী শেখ হাসিনার পক্ষ হতে বিশাল অংকের টাকার লোভ!
দেশের সচেতন মহল মাত্রই জানা আছে- মুফতি ওয়াক্কাস ২০১৩ সালে হেফাজত ইস্যুতে মিথ্যা মামলায় সুদীর্ঘ প্রায় ৯মাস জেলে ছিলেন! যদিও সরকারের পিলে চমকানো হেফাজতের ৫মে'র শাপলা ট্রাজেটির ব্যাপারে মুফতি ওয়াক্কাসের অবস্থান সরকারের পক্ষেই তথা অবস্থান কর্মসূচির বিপক্ষে ছিল তদুপরি সরকার সেই দিনে অবস্থানের স্বপক্ষের একাধিক চিহ্নত নেতৃবৃন্দকে এড়িয়ে গিয়ে মুফতি ওয়াক্কাসকে গ্রেফতার করার পিছনে সুদুর প্রসারী প্লান ছিল! বাংলাদেশে কওমী ধারার রাজনীতিতে মুফতি ওয়াক্কাসের মত ক্ষমতাস্বধী বিচক্ষন এবং চতুর কোন রাজনীতিবীদ নেই! তাই বাধ্যবাদকাতা এবং প্রলোভনের মাধ্যমে উনার উপর চাপ প্রয়োগ করতে পারলে ক্ষমতার রাজনীতিতে বিরোধী শক্তিকে দুর্বল করে চিরস্থায়ী ক্ষতমা পাকাপোক্ত করার নীল নক্সা বাস্তবায়ন সহজ হয়ে যাবে! তাই মুফতি সাহেবের সেই সুদীর্ঘ কারান্তরিন সময়ে উনাকে ঘন ঘন গোয়েন্দা অফিসে ডেকে নিয়ে এক দিকে যুদ্ধাপরাধী মামলায় জড়িয়ে ফাঁসী বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডের ভয় ভীতি দেখিয়ে আর অন্যদিকে বিশাল অংকের টাকার প্রলোভন দিয়ে সরকারের নিদৃষ্ট কিছু এজেন্টা তথা জমিয়ত সহ বি এন পি জোটের শরিক ইসলামী দল গুলাকে ব্যাক্তিগত ফায়দার বিনিময়ে জোট হতে বের করে এনে আগামী নির্বাচনে একক ভাবে বা তৃতীয় জোট গঠন করে তিন'শ আসনে প্রার্থী দেয়া সহ সরকারের স্বপক্ষ ভুমিকা পলন করে চলার শর্তে জেলমুক্তির ব্যাপারে আলচনা করতে থাকে! পরিশেষে মুফতি ওয়াক্কাস তাতে রাজি হলে সরকারের উচ্ছ গোয়েন্দা কর্মকর্তা কর্নেল মাহবুবের মধ্যস্ততায় এই মর্মে চক্তিপত্রে সই করে জেল হতে মুক্তি পান! সাথে সাথে জেলমুক্তির পর কর্নেল মাহবুবের কাছে উনার সার্বীক কার্যক্রমের জবাব দিহিতার শর্তও জুড়ে দেয়া হয়! এবং সরকারী ছকে না হাটলে যেকোন সময় খুন বা গোম হয়ে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়! নির্ভরযোগ্য সূত্র মতে মুফতি ওয়াক্কাস ঢাকায় আসলে গোলাম ইকরাম পরিচালিত নতুনভাগ মাদ্রাসায় কর্নেল মাহবুবের সাথে মাঝে মাঝে একান্ত বৈঠকও করেন!
এদিকে মুফতি ওয়াক্কাস জেলে থাকা কালিন সময়ে জমিয়তের পরিস্থিতি সম্পুন্য রুপে পাল্টে যায়! দেশের অন্নান্য ইসলামী রাজনৈতিক দলের প্রধান সারির অনেক নেতা দলে যোগদান করেন! এবং কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সময় সীমা ঘনিয়ে আসলে তাকে সামনে রেখে হেফাজতের আন্দোলনে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জনকারী দলের বর্তমান মহাসচিব সহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দগন নবাগতদের নিয়ে দলীয় কার্যক্রমকে দেশব্যাপি বেগবান করার ফলে অথিতের যেকোন সময় হতে দল অনেক গুন শক্তিশালী হয়ে উঠে! মুফতি ওয়াক্কাসের জেলমুক্তির কিছু দিন পর কাউন্সিল আহবান করা হলে তৃনমূল হতে মহাসচিবের পদে পরিবর্তনের শুর উঠে! মুফতি সাহেব সরকারের সাথে তার জেল মুক্তির চুক্তির কথা মনে রেখে স্বপদে বহাল থাকার আপ্রাণ চেস্টা করেও অবস্থা বেগতিক দেখে নির্বাহী সভাপতির পদের জন্য জেদ ধরেন! কারণ সরকারের সাথে উনার কৃত চুক্তি বাস্তবায়নে উনার জন্য দলের নীতি নির্ধারণী কোন পদের একান্ত প্রয়োজন! সেসময়ই কাঙ্কিত পদ না পেলে নতুন দল ঘোষনা করার পুর্ন প্রস্তুতিও নিয়ে রাখছিলেন! তবে দলের ঐক্য ধরে রাখতে এই পদে থাকা সাবেক নির্বাহী সভাপতি আল্লামা মুস্তফা আজাদ সাহেব স্বেচ্ছায় মুফতি সাহেবকে এই পদ দিয়ে দেন! কিন্তু কাউন্সিল পরবর্তী ক্রমাগত মুফতি সাহেব উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে পদটির অপব্যবহার কারা শুরু করে (যা পুর্বেই আলচনা করা হয়েছে) দলকে অস্তিত্ব সংকটের সম্মোখিন করতে লাগেন! এতে করে দলের কেন্দ্রীয় আমেলা দলের অস্থিত্ব রক্ষার স্বার্থে সংবিধানে সংশোধনির মাধ্যমে পদটিই সম্পুন্য রুপে বিলুপ্ত করে দিতে বাধ্য হয়! যার ফলে জেল হতে বের হয়ে মুফতি ওয়াক্কেস লালবাগে ঘন ঘন যাথায়াত করে ইসলামী ঐক্যেজোটকে বি এন পি জোট হতে বের করে আনার আস্বস্ততা পাইলেও নিজ দলের বিষয়ে পড়ে যান চরম বেকায়দায়! জেলমুক্তির চুক্তির সামনে না পারছেন দলে থাকতে আর একই কারণে না পারছেন দলের ব্যাপারে সরকারী এজেন্টা বাস্তবায়ন করতে! তাই সু'রক্ষা কমিটির মাধ্যমে টাইম পাস করে গোপনে গোপনে সরকারী গোয়েন্দা করনেল মাহবুবের সাথে পরামর্শ করতে থাকেন! সুনিদৃষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে কর্নেল মাহবুবেরই পরামর্শে ১/১১ এ কাউন্সিল/কনভেনশন ঘোষনা করে দলের হাই কমান্ডকে নির্বাহী সভাপতির পদ পুনর্বহালে বাধ্য করা ছিল! কিন্তু কিছুতেই কিছু হবেনা দেখে সর্বশেষ ২৮ ডিসেম্ভর দল হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে হুবহু নামে নতুন দল ঘোষনা করার রুপরেখা পাকাপুক্ত করা হয়! একারণেই উনারই আস্তাবাজন খ্যাত দলের সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব এড. মাও. শাহিনুর পাশা চৌধুরীর উদ্দোগে সভাপতি আল্লামা ইমামবাড়ীর ডাকা গত ৭ জানুয়ারীর বিশেষ আমেলার বৈঠকে উনি উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও উনাকে সেখানে উপস্থিত হতে দেয়া হয়নি!
অনুসন্ধানে জানা যায় যে, বিগত ২৮ ডিসেম্বর রাত বাদ এশা গোলাম মহিউদ্দীন ইকরাম পরিচালিত ঢাকার নুতুনভাগ মাদ্রাসা ভবনের দিত্বীয় ফ্লোরে ইকারাম সাহেবের বিশেষ দফতরে মুফতি ওয়াক্কাস সহ উনার একান্ত অনুসারী আতাউর রহমান আতিকি, রেজাউল করিম, মুফতি, ওয়াহিদুজজ্জামান সহ আরও তিন চার নেতার সাথে শেখ হাসিনার একান্ত লোক গোলাম মুস্তফার গোপন বৈঠক হয়! বৈঠকে ১/১১ এ নতুন দল এবং নতুন কমিটি করার বিষয়টি পাকাপুক্ত করা হয়! সেই বৈঠকে নুতুন দল গুছানু এবং অন্যান্ন দল নিয়ে আগামি নির্বাচনে সরকারী এজেন্টায় কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য ২ কুটি টাকার লেন দেনেরও চুক্তি হয়! সেদিনের বৈঠক শেষে মুফতি ওয়াক্কাস মাদ্রাসার মেহমান খানায় বিশ্রাম নিলেও রাত ৮-৩০ থেকে ৯ টার ভিতর ঢাকা বিজয় নগর হোটেল ৭১ থ্রী ষ্টারে গোলাম মুস্তফারই মাধ্যমে রেজাউল করিম এবং ওয়াহিদুজজ্জামান সহ আরও দুই তিন জনের হাতে ১ কুটি ২০ লাখের লেনদেন হয়! বাকিটা পরে দেওয়া হবে বলে কথা হয়! হোটেলের বিলের খাতা চেক করে দেখা যায় সেই দিনে গোলাম মুস্তফার নামে ১১ হাজার টাকার বিল পরিশোধিত হয়! উল্লেখ্য, গোলাম মুস্তফা আওয়ামী লীগের অতি পরিচিত কোন লোক বা নেতা না হলেও লোকটারর কাজ হলো দেশের আলেম-উলামার সাথে সরকারী আতাতের দুতিয়ালী করা! খবর নিয়ে জানা যায় তার বাড়ী শেখ হাসিনার গোপালগঞ্জের বাড়ীর পাশের বাড়ী!
অতএব, উপরোল্লেখিত দীর্ঘ পর্যালচনার ভিত্বিতে বালা যাবে জমিয়ত হতে মুফতি ওয়াক্কাসের বিচ্চিন্নতাটা নির্বাহী সভাপতির পদ বা বাহ্যিক অবলোকিত কোন কারণে মোটেও নয়! বরং উনি তার একান্ত ব্যাক্তিগত নিরাপত্তার দিকটি বিবেচনায় জমিয়ত হতে বিচ্চিন্ন হওয়া ছাড়া তাঁর কাছে আর কোন পথই নাই, এখানে তিনি একান্ত বাধ্য! কজেই নির্বাহী সভাপতির পদকে সামনে রেখে উনার সাথে ঐক্য প্রচেস্টা করাটা বাতুলতা এবং অরন্যে রোধন বৈ আর কিছু নয়! তাইতো বলি- অনক্যের মূলে না গিয়ে ঐক্যের স্লোগান হয়তো বুকামী নয়তো প্রতারণা! আল্লাহ পাক সবাইকে পরিস্থিতিটা বুঝার তাওফিক দান করুক, এবং আকাবির-আসলাফের আমানত আমাদের জমিয়তকে নিয়ে যেকোন ষঢ়যন্ত্রকে নস্যাত করুক, আমীন!!
Powered by Blogger.