Header Ads

জমিয়ত নিয়ে মিথ্যা সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানিয়েছেন আল্লামা কাসেমী

চিত্রে থাকতে পারে: ১ জন, বসা এবং ইন্ডোর
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী আজ (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সংবাদপত্রে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, বিগত ১০ ডিসেম্বর রবিবার কয়েকটি গণমাধ্যমে জমিয়তের ৩ শীর্ষ নেতাকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে মর্মে একটি সংবাদ প্রচারিত হয়। যা ছিল, সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর।
বিবৃতিতে আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী আরো বলেন, উক্ত বিভ্রান্তিকর সংবাদটিতে বলা হয়ছে, “বিগত ৯ ডিসেম্বর বাদ মাগরীব পল্টনস্থ জমিয়তের দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়”। মূলতঃ ঐ দিন দলীয় কার্যালয়ে বাদ মাগরীব কেন্দ্রীয় আমেলার কোন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়নি। তাছাড়া উক্ত সংবাদে বৈঠকে উপস্থিত সদস্য বলে যাদের নাম উল্লোখ করা হয়েছে, তাদের কেউ দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আমেলার বৈঠক আহবানের অধিকার রাখেন না এবং তাদের কর্তৃক কাউকে অব্যাহতি দেওয়ার অধিকারের প্রশ্নই আসে না।
তিনি বলেন, দলীয় গঠনতন্ত্রের ১৬/৮ ও ১৮/২ ধারা মতে কেন্দ্রীয় আমেলা আহবানের অধিকার কেবল দলের সভাপতি ও মহাসচিবের রয়েছে। দলের সভাপতি ও মহাসচিব ছাড়া কেউ আমেলার সভা আহবান করতে পারেন না। সুতরাং এই মিথ্যা সংবাদে কারো বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই উল্লেখ করে জমিয়ত মহাসচিব বলেন, জাতীয় নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসছে। এমন পরিস্থিতিতে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের দলীয় শৃঙ্খলাবোধ ও রাজনৈতিক দৃঢ় অবস্থানের বিরুদ্ধে কেউ যাতে ষড়যন্ত্র করতে না পারে, সে জন্য দলীয় সকল নেতাকর্মীকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি গণমাধ্যমের প্রতিও এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্টরা সিদ্ধান্ত নেওয়ার বৈধ অধিকার রাখেন কিনা, সেটি যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করতে উদাত্ত আহবান জানান। তিনি বলেন, যে কেউ যে কারোর বিরুদ্ধে অনধিকার মূলক কিছু বলে দিলেই তো সেটা সংবাদের মানদণ্ড উত্তীর্ণ হতে পারে না। সংবাদ কর্মীদের দায়িত্ব রয়েছে, সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা যাছাই করার। কারণ, সংবাদ কর্মী ও সংবাদপত্রকে জাতির বিবেক ও কণ্ঠস্বর বলা হয়ে থাকে।
Powered by Blogger.