Header Ads

মুফতি ওয়াক্কাসকে ক্রিমিনাল বলায় তীব্র প্রতিবাদ

চিত্রে থাকতে পারে: 5 জন ব্যক্তি

বিশেষ প্রতিবেদন- গত সপ্তাহখানেক পূর্বে (14/11/17) মুফতী সাহেব জমিয়তের মূল ধারার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ছড়ানোর নিমিত্তে নিমতলি মাদরাসায় আসার কথা ছিল। মুন্সিগঞ্জ জেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক, সৈয়দপুর মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা বশীর আহমদ সাহেব সহ আমরা কয়জন সেখানে উপস্থিত হই। আসর নামাজের পর আমরা নিমতলি মাদরাসার অফিসে বসা ছিলাম। উনি তখন কেবল তার আস্তানা থেকে রওয়ানা হয়েছেন।
.
বিলম্ব দেখে আমরা ফিরে যাওয়ার চিন্তা করছিলাম। ইতিমধ্যে মাওলানা ইয়াহইয়া মাহমূদ সাহেব সেখানে এসে উপস্থিত হলেন। নানান বিষয়ে আমাদের সাথে কথা হচ্ছিল। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ জেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা বশীর আহমদ। যুব জমিয়ত বাংলাদেশের সাবেক সভাপতি মাওলানা জিয়াউল কাসেমি। মুন্সিগঞ্জ জেলা জমিয়তের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মাহবুবুর রহমান জিয়া সহ আরো অনেকে।
.
আমাদের উপস্থিতির উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে পেরে বলেছিলেন: উনি আসলে বলবেন: ক্রিমিনালী বহুত করেছেন। এখন একটু ক্ষান্ত হোন। বয়স হয়েছে। কবরে যাওয়ার ফিকির করেন।
.
এছাড়া কোন এক প্রোগ্রামের কথা উল্লেখপূর্বক কাসেমী সাহেব হুজুরের সাথে উনার হিংসাত্মক কিছু আচরণের কথাও বলেছিলেন।
.
যে মাওলানা সাহেবের কথার উদ্বৃতি দিয়ে জা-নেসারে জমিয়ত আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক সাহেবের নামে কুৎসা রটাচ্ছেন। সেই মাওলানার কথায়ই তো মুফতি সাহেবও কলুষিত হচ্ছেন।

ইয়াহয়া মাহমুদের এমন দৃষ্টতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ছাত্র জমিয়তের সাবেক সভাপতি গোলাম মুহিউদ্দিন ইকরাম, শেখ মুজিবুর রহমান, ওয়ালী উল্লাহ আরমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর পাশা চৌধুরী, আব্দুল মালিক চৌধুরী প্রমুখ । 
নেতৃবৃন্দ বলেন ইয়াহয়া মাহমুদ প্রকাশ্য ক্ষমা প্রার্থনা না করলে আমরা দেখে নেবো তাকে । 
Powered by Blogger.