Header Ads

জমিয়তের নামে সুরক্ষা কমিটির কার্যক্রমে সদরে জমিয়ত আল্লামা ইমাম বাড়ির কড়া হোশিয়ারী

নিউজ শেয়ার অনলাইন প্রতিনিধি :- শতাব্দির ঐতিহ্যবাহি সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের বিগত ১৪/১০/২০১৭ ইং কার্যনির্বাহী পরিষধের মিটিং এবং তাতে দলের নির্বাহী সভাপতির পদকে বিলুপ্তির সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে মুফতি ওয়াক্কাসের নেতৃত্বে কেন্দ্রের বিরোদ্ধে গঠিত 'জমিয়ত সুরক্ষা কমিটি'র সকল কার্যক্রমকে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সদরে জমিয়ত আল্লামা আব্দুল মুমিন শায়েখে ইমামবাড়ি! তিনি বলেন- দলের অভ্যন্তরিন যেকোন বিষয় নিয়ে যে কারও দ্বিমত হলে মজলিসে আমেলা তথা দলের কার্যনির্বাহী পরিষদে তা পেশ করতে হবে । সেখানে আলচনার ভিত্তিতে যাই সিদ্ধান্ত হয় তাই কার্যকর বলে বিবেচিত হবে, এবং তা সবাইকে মাথা পেতে মেনে নিতে হবে । দলের অভ্যন্তরিন যেকোন বিষয় নিয়ে দলীয় ফোরামের বাহিরে গিয়ে কোন কিছু করা কোনক্রমেই কল্যানকর নয় । এর দ্বারা দলের ভিতরে এবং বাহিরে দলের ইমেজ ক্ষুন্ন হয়, দলের মুরব্বিদের প্রতি কর্মীদের আনিহা সৃষ্টি হয়, পরস্পর তফাত বাড়ে । জমিয়তের আমেলার সিদ্ধান্তের বাহিরে গিয়ে যে বা যারাই 'জমিয়ত সুরক্ষা কমিটি'র নামে যে কমিটি করেছেন তাদের প্রতি আমার নির্দেশ হলো তারা যেন আর আগ না বাড়ে, এর সকল কার্যক্রম বন্ধ করে নিজের যেসব দাবী আছে তা মজলিসে আমেলায় পেশ করে । অন্যতায় তাদের বিরোদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি গ্রহণ করতে বাধ্য হব । উল্লেখ্য যে, গত ১৪/১০/২০১৫ ইং রাজধানির বারিধারা মাদ্রাসাস্ত জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কার্যনির্বাহী পরিষদের বৈঠক বসলে প্রাসঙ্গিক আলোচনায় সাধারণ একটি বিষয়ের জের ধরে দলের নির্বাহী সভাপতি পদে থাকা মুফতি ওয়াক্কাস তাঁর কিছু অনুসারিদের নিয়ে ওয়াক আউট করে চলে যান । পরে দলের অভ্যন্তরিন অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাঁর একান্ত সহযোগি গোলাম মুহি উদ্দিন ইকরামের পরিচালনাধীন নতুন ভাগ মাদ্রাসায় বসে জমিয়ত সুরক্ষা নামে একটি কমিটি করে দলের অভ্যন্তরিন অনিয়মের বিষয় সম্পর্কে সারা দেশব্যাপি কর্মীদের সচেতন করার কর্মসুচি ঘোষনা করেন । বিষয়টি দলের সভাপতি সদরে জমিয়ত আল্লামা ইমামবাড়ি সাহেবের কানে গেলে গত শুক্রবার উনি উক্ত কমিটির আহবায়ক- মাও. মনসুরুল হাছান রায়পুরী এবং সদস্য সচিব- মাও. শেখ মুজিবুর রাহমান, সদস্য- মুফতি আরিফ বিল্লাহ এবং আব্দুল মালিক চৌধুরীকে তাঁর বাসবভনে ডেকে এনে উপরুল্লেখি নির্দেশনা এবং হোশিয়ারী শুনিয়ে দেন । সাথে সাথে সেই দিনের আমেলার বৈঠক হতে মুফতি ওয়েক্কাসের ওয়াক আউটের বিষয়ে হযরাত চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবংউানার সামনে উপস্থিত থাকা শেখ মুজিবকে ওয়াক্কাস সাহেবের সাথে চলে যাওয়ার জন্য কটুর ভাষায় তিরস্কার করেন ।
Powered by Blogger.