Header Ads

রোহিঙ্গা নিপীড়নে মুখ খুলেছে আরব লীগ

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর সংঘটিত হত্যা-নিপীড়নের ঘটনা তদন্ত করার জন্য দেশটির কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আরব লীগ।
এ ছাড়া রোহিঙ্গা নিপীড়ন ‘গণহত্যার শামিল’ দাবি করে মিয়ানমার সরকারকে কঠোর চাপ দিতে আরব ও ইসলামী বিশ্বের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কুয়েতের পার্লামেন্টের সদস্যরা (এমপি)। এ নিপীড়নের নিন্দা জানিয়ে রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য সহায়তা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ইরান। খবর এএফপি ও খালিজ টাইমসের
মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংসতার নিন্দা জানিয়ে বুধবার এক বিবৃতিতে আরব লীগের মহাসচিব আহমেদ আবুল ঘেইত এ আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে আরব লীগ দাবি করেছে, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ যেন রোহিঙ্গা ইস্যুতে তাদের দায় বোধ করে এবং যত দ্রুত সম্ভব মুসলমানদের বিরুদ্ধে সহিংসতার অবসান ঘটায়।
পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত সহিংসতার তদন্ত করে দোষীদের বিচারের মুখোমুখি করার জন্য মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানিয়েছেন আরব লীগপ্রধান।
এদিকে, কুয়েতের এমপিরা রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নের হুমকি দিয়েছেন।
দেশটির পার্লামেন্ট ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির আয়োজনে সংবাদ সম্মেলনে বেশ কয়েকজন এমপি রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর চলমান বর্বরতার ঘটনায় বিশ্ব নেতাদের নীরবতার নিন্দা জানান। একইসঙ্গে আরব ও ইসলামিক বিশ্বকে মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
কুয়েতের ডেপুটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খালেদ আল জারাল্লাহ বলেন, মিয়ানমারের রাখাইনে মানবিক বিপর্যয়ের ব্যাপারে কুয়েত উদ্বিগ্ন। সেখানে দ্রুত সহিংসতা বন্ধে মিয়ানমার সরকারকে আন্তর্জাতিক বিশ্বের চাপ দেওয়া উচিত।
ত্রাণ পাঠাচ্ছে ইরান
ইরানি রেড ক্রিসেন্ট বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, তারা রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য ও প্রয়োজনীয় ত্রাণ পাঠাতে প্রস্তুত।
সংস্থার প্রধান মোরতেজা সালিমি বলেন, জরুরি খাদ্য ও জীবনদায়ী সামগ্রী নিয়ে ইরানের বিমান প্রস্তুত। প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির নির্দেশে এ সহায়তা পাঠানো হচ্ছে।
তবে তারা মিয়ানমার সরকারের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছেন বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত ২৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সদস্যরা সন্ত্রাসী দমনের নামে রাখাইন রাজ্যে নির্যাতন, বাড়িঘরে আগুন ও গণধর্ষণ শুরুর পর পালিয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আসতে শুরু করে। এরপর থেকে লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
Powered by Blogger.