Header Ads

উখিয়ায় নারীসহ পাঁচ রোহিঙ্গার গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ


কক্সবাজারের উখিয়ায় নারীসহ পাঁচ রোহিঙ্গার গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টার দিকে উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের আন্জুমানপাড়া সীমান্ত পয়েন্ট থেকে এসব মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের এ তথ্য জানিয়েছেন।
এ নিয়ে এক দিনে ১২ জন রোহিঙ্গা শিশু-নারী-পুরুষের মৃতদেহ উদ্ধার হলো।নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের বরাত দিয়ে পুলিশ বলছে, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সীমান্তের খুব কাছে সে দেশের সেনাবাহিনী এই এক নারী ও চার পুরুষকে গুলি করে হত্যা করে।
ওসি আবুল খায়ের দাবি করেন, ‘আজ বিকাল ৫টার দিকে উপজেলার পালংখালী আন্জুমানপাড়া সীমান্ত পয়েন্টের ওপারে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী কিছু বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং ব্যাপক গুলিবর্ষণ করে। পরে সেনাবাহিনী চলে গেলে নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থানরত রোহিঙ্গারা এসব মৃতদেহ উদ্ধার করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নিয়ে আসে।’
পুলিশ জানায়, এর আগে বুধবার সকালে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের মাজারপাড়া, মিস্ত্রিপাড়া ও পশ্চিমপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীর মোহনা থেকে সাত রোহিঙ্গা শিশু ও নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। নাফ নদীতে রোহিঙ্গাবোঝাই নৌকা ডুবে গেলে এসব রোহিঙ্গার মৃতদেহ পাওয়া যায়। মিয়ানমারে নতুন করে সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টির পর থেকে এ পর্যন্ত নৌকাডুবি ও গুলিবিদ্ধ হয়ে ৬৫ রোহিঙ্গার মরদেহ পাওয়া গেলো।
গত ২৪ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে পুলিশ পোস্টে হামলা চালায় সে দেশের একটি বিদ্রোহী গ্রুপ। এতে ১২ পুলিশ সদস্যসহ বহু রোহিঙ্গা হতাহত হয়। এঘটনার পর থেকে প্রতিদিন পালিয়ে বাংলাদেশে আসছে অসংখ্য রোহিঙ্গা। নাফ নদীর জলসীমানা থেকে শুরু করে স্থল সীমানা পার হয়ে জিরো পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে তারা।
এর আগে গত বছরের ৯ অক্টোবরের পর থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে একইভাবে হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় প্রাণ ভয়ে পালিয়ে আসে প্রায় ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা। এরপর আন্তর্জাতিক মহল নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করে মিয়ানমার সরকারের ওপর। কিন্তু, এর কোনও তোয়াক্কা না করে রাখাইনে ফের সেনা মোতায়েন করলে বিদ্রোহী গ্রুপের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে সে দেশের সেনাবাহিনী ও পুলিশ।
উৎসঃ   বাংলা ট্রিবিউন
Powered by Blogger.