Header Ads

নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের দেখতে মায়ের সঙ্গে বাংলাদেশে এসেছেন এরদোগানের ছেলেও

নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের পর্যবেক্ষণে আসা তুর্কি ফার্স্ট লেডি এমিনে এরদোগানের সঙ্গে ছেলেও রয়েছেন। আছেন ক্ষমতাসীন দল একে পার্টির শীর্ষ কয়েকজন নেতাও এসেছেন।
বৃহস্পতিবার মায়ের সঙ্গে এরদোয়ান পুত্র বিলাল এরদোয়ান বাংলাদেশে আসেন। তিনিও মায়ের সঙ্গে বর্তমানে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করছেন।
এরদোয়ানের স্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কেভুসেগলু, পরিবার ও সামাজিক কল্যাণ মন্ত্রী ফাতেমা বেতুল, ক্ষমতাসীন জাস্টিস ও ডেভেলপমেন্ট পার্টির ইস্তাম্বুল শাখার ডেপুটি রাজভা কাভাকি খান, তুর্কির রাষ্ট্রীয় সাহায্য-সহযোগিতা প্রতিষ্ঠান টিকার প্রেসিডেন্ট সারদার ক্যাম, তুর্কি রেড ক্রিসেন্ট পরিচালক ইব্রাহীম আলটান প্রমুখ। এছাড়াও ঢাকাস্থ তুর্কি দূত ও দূতাবাসের কর্মকর্তারা তার সঙ্গে রয়েছেন।
বেলা ১২টার দিকে তারা কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে কুতুপালং ক্যাম্পে পৌঁছান এমিনে এরদোয়ান। কক্সবাজার থেকে ফিরে এসে ফার্স্ট লেডি এমিনে এরদোয়ান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাত করার কথা রয়েছে।
রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের তীব্র নিন্দা জানিয়ে গত শুক্রবার বিবৃতি দিয়েছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তায়্যিব এরদোগান। তিনি একে ‌‘গণহত্যা’ বলেও উল্লেখ করেন। এর আগে গত সপ্তাহে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদকে ফোন করে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের ব্যাপারে বাংলাদেশকে সহায়তার অঙ্গীকার করেন।
গত ২৪ অগাস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে পুলিশ পোস্ট ও সেনা ক্যাম্পে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির হামলার পর সেখানে নতুন করে অভিযান শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী। এরপর বাংলাদেশ সীমান্তে নতুন করে রোহিঙ্গাদের ঢল নামে। জাতিসংঘের হিসাবে, বুধবার পর্যন্ত এই দফায় প্রায় এক লাখ ৪৬ হাজার মানুষ মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবেন না। যদি কোনো কাজি রোহিঙ্গাদের বিবাহ নিবন্ধন করেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনের শেষ দিনে আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত আলোচনা সভার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এসব কথা বলেন।
আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনায় জেলা প্রশাসকেরা কক্সবাজার এলাকায় বসবাসরত রোহিঙ্গারা যাতে বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ না হতে পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তাব করেছিলেন।
এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, রোহিঙ্গাদের বিবাহের বিষয়ে আজই আইন মন্ত্রণালয় থেকে একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এই অনুযায়ী এখন থেকে যদি কোনো কাজি রোহিঙ্গাদের বিবাহ নিবন্ধন করেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অর্থাত্ এ দেশে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে বাংলাদেশিদের বিবাহ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাই নিবন্ধন হলেও সেটি অবৈধ হবে।
Powered by Blogger.