Header Ads

সীমান্তে যখন মানবতা কাঁদছে, তখন মন্ত্রী কামরুল সস্ত্রীক মায়ানমারে কেন?

সম্প্রতি মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর দ্বারা নির্যাতিত হয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিচ্ছে। যার ফলে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মনস্তাত্ত্বিক সম্পর্কের টানা পোড়েন দেখা দিয়েছে। ঠিক সেই মুহুর্তেই চাল আনতে মিয়ানমার গেলেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।
তার এই গমনে প্রভাষ আমিন তার ফেসবুকে স্টেটাস দিয়েছেন। পাঠকদের জন্য ‍তুলে ধরা হলো।প্রভাষ আমিন : চাল অবশ্যই আমাদের দরকার। কিন্তু বা্ংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে যখন মানবতা কেঁদে মরছে। মিয়ানমার যখন রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের নিশ্চিহ্ন করতে সর্বাত্মক অভিযান চালাচ্ছে, তখন চাল আনতে মিয়ানমারেই যেতে হবে কেন? আর যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করতে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকই যথেষ্ট, সেখানে মন্ত্রীকে সস্ত্রীক যেতে হবে কেন? সফরে বছরে ১০ লাখ টন চাল আমদানির জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে। এছাড়া দ্রুত ২/৩ লাখ টন চাল আমদানির জন্য একটি চুক্তিও হতে পারে। আমার খালি একটা অঙ্ক করতে ইচ্ছা করছে- ৩ লাখ টন চালে ৫ লাখ মানুষের কয়দিন চলবে?
Powered by Blogger.