Header Ads

'নির্বাচিত নয় বলেই রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকার নতজানু'

জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় বলেই রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকার বড় গলায় কথা বলতে পারছে না বলে মন্তব্য করেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
শুক্রবার বিকালে এক আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ মন্তব্য করেন।তিনি বলেন, আপনারা চেয়ে দেখুন, আজকে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারে যে হত্যাযজ্ঞ হচ্ছে, রোহিঙ্গাদের যেভাবে হত্যা করা হচ্ছে বাংলাদেশ সরকার এর প্রতিবাদ করতে পারছে না। কারণ তারা জনগণের নির্বাচিত নয় বলেই তারা বড় গলায় কথা বলতে পারছে না, ভালো করে প্রতিবাদ করতে পারছে না। যদি তারা (সরকার) প্রতিবাদ করতে পারত, ৯০ ভাগ মুসলমানের এ দেশ হওয়া সত্তে¡ও মিয়ানমারকে মুসলিম হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করার জন্য আমরা ক‚টনৈতিকভাবে বা অন্যভাবে তাদের বাধ্য করতে পারলাম না।
জাতীয় প্রেস ক্লাব মহানগর দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১০ম কারামুক্তির দিবস উপলক্ষে এ আলোচনা সভা হয়।
মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশারের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেইন, ওলামা দলের সভাপতি হাফেজ আবদুল মালেক, মহানগর নেতা ইউনুস মৃধা, মীর আশরাফ আলী আজম, শামছুল হুদা, মোহন ফরিদ উদ্দিন, মীর হোসেন মীরু, চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন রতন, আ ন ম সাইফুল ইসলাম, আলী রেজাউর রহমান রিপন, ফরহাদ হোসেন, এম এ হান্নান, ইঞ্জিনিয়ার গোলাম কিবরিয়া, হাজী নাজিম, সাঈদুর রহমান মিন্টু, আব্দুল হাই পল্লব প্রমুখ। 
রাখাইনে সেনা অভিযানের সমালোচনা করে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আসল ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য মিয়ানমার সরকার সারা বিশ্বকে বলতে চায়, তারা নাকি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযানের কথা বলে তারা মিয়ানমারে মারাত্মকভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। আমরা বলতে চাই, সেখানে রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীকে নির্মূল করার জন্য পরিকল্পিতভাবে তারা এ অভিযান চালাচ্ছে।
বর্তমান সরকার জনগণের মনের কথা বুঝতে পারে না- মন্তব্য করে তিনি বলেন, এ দেশের জনগণ চায় মিয়ানমারে এ হত্যাযজ্ঞ বন্ধ হোক, এ জেনোসাইড বন্ধ হোক। কিন্তু এ সরকার কোনো বিহিত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি, তারা সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। আজকে বিশ্বের অন্যান্য দেশ এ হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদ জানাচ্ছে। এ সরকারের পায়ের নিচে মাটি নেই বলে তারা সেভাবে প্রতিবাদও জানাতে পারছে না। তাই জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, এ হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করার জন্য আমাদের আরো সোচ্চার হতে হবে।
সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এখনো সময় আছে, আপনারা (সরকার) এ রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে সাময়িক কালের জন্য আশ্রয় দিন, তারা যাতে করে তাদের দেশে ফিরে যেতে পারে, নাগরিকত্ব লাভ করে সেখানে শান্তিতে বসবাস করতে পারে- সেজন্য ক‚টনৈতিক পদক্ষেপ নিন। আর এ সরকার যদি এই সংকট সমাধানে পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়, ইনশাল্লহ ভবিষ্যতে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হলে সেই সরকার রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান করবে।
উৎসঃ   jugantor
Powered by Blogger.