Header Ads

আফগানিস্তানে নতুন সেনা পাঠানোর আদেশে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর স্বাক্ষর


আফগানিস্তানে অতিরিক্ত মার্কিন সেনা পাঠানোর আদেশে স্বাক্ষর করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিস। বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) পেন্টাগনে সাংবাদিকদেরকে খোদ ম্যাটিসই এ খবর নিশ্চিত করেন। তবে আফগানিস্তানে নতুন করে কতজন সেনা যাচ্ছেন তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেননি ম্যাটিস।যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দক্ষিণ এবং মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত আফগানিস্তানের কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আফগানিস্তানে সেনা মোতায়েন রাখা নিয়ে নতুন কৌশল ঘোষণা করার কয়েক দিনের মধ্যেই এ নির্দেশে সই করার কথা জানালেন ম্যাটিস। সাংবাদিকদের মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি ওই আদেশে স্বাক্ষর করেছি। অন্যভাবে বললে, আমি সেনাদের জন্য কিছু আদেশে সই করেছি যা বহাল থাকবে এবং আমরা সুনির্দিষ্ট করে একটিকে বেছে নিচ্ছি।’
এ ব্যাপারে বিস্তারিত প্রকাশ করার আগে কংগ্রেসে ব্রিফ করা হবে বলেও জানান ম্যাটিস। মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, আফগানিস্তানে অতিরিক্ত প্রায় ৪০০০ সেনা পাঠানোর এখতিয়ার ম্যাটিসকে দিয়েছেন ট্রাম্প। অন্য কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি জানায় আফগানিস্তানে ৩৯০০ সেনা পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র।ম্যাটিস বলছেন, নির্দেশে সই করা হলেও নতুন করে মার্কিন সেনা দেশটিতে পাঠানো শুরু হয়নি। তিনি বলেন, দেশটিতে সেনা পাঠানোর কাজ শুরু করতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে।
আফগানিস্তানে অতীতে উল্লিখিত সংখ্যার চেয়ে অতিরিক্ত ২৬০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন আছে বলে পেন্টাগন স্বীকার করার একদিন পরই নতুন করে আবারও সেনা পাঠানোর নির্দেশে সই করার কথা জানালেন ম্যাটিস। পেন্টাগন স্বীকার করেছে, আফগানিস্তানে ৮৪০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন থাকার ঘোষণা গত বছর দেওয়া হলেও প্রকৃতপক্ষে দেশটিতে দুই হাজার ছয়শ’ বাড়তি সেনা রয়েছে বলে জানানো হয়। এখন আফগানিস্তানে নিযুক্ত মার্কিন সেনার সংখ্যা ১১,০০০।
গত ২১ আগস্ট ফোর্ট মাইয়ার সেনা ঘাঁটি থেকে টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে আফগানিস্তান প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতির কথা জানান ট্রাম্প। সেখান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করতে রাজি নন তিনি। তার আশঙ্কা, সময়সীমা অক্ষুণ্ন রাখতে গিয়ে বিজয় নিশ্চিত হওয়ার আগেই যদি আফগানিস্তান থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার করা হয় তবে সেখানে শূন্যতা তৈরি হবে; আর সেটি পূরণ করবে সন্ত্রাসীরা। ট্রাম্প জানান, কিছু শর্তের ভিত্তিতে তারা আফগানিস্তান ইস্যুতে কৌশল নির্ধারণ করবেন,তবে সেনা সরিয়ে নেওয়ার কোনও সময়সীমা ঘোষণা করা হবে না।
উৎসঃ   banglatribune
Powered by Blogger.