Header Ads

এবার মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাওয়ের ডাক গণজাগরণের

রোহিঙ্গাদের গণহত্যা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে এবার মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছে শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর সোমবার বেলা ৩টায় গুলশানে মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও করা হবে। এর আগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশও ১৩ সেপ্টেম্বর মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাওয়ের ডাক দেয়।
শুক্রবার বিকালে রাজধানীর শাহবাগে রোহিঙ্গা গণহত্যা ও জাতিগত নিপীড়ন বন্ধের দাবিতে পূর্বঘোষিত র‌্যালি শেষে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার।এর আগে শাহবাগ জাদুঘরের সামনে থেকে একটি র‌্যালি শেরাটন হোটেলের মোড় ঘুরে পুনরায় জাদুঘরের সামনে এসে শেষ হয়।
র‌্যালিপূর্ব সমাবেশে ইমরান এইচ সরকার বলেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তা ও মানবিকতা এই দুটো বিষয় মাথায় রেখে সরকারকে কূটনৈতিক তৎপরতা চালানোর আহ্বান জানাই।’
ইমরা বলেন, ‘আজকে সারা বিশ্বের মানবতাবাদী মানুষের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাই।’ কথিত মানবতাবাদীরা নীরব ভূমিকা পালন করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। 
বিশ্বব্যাপী জনমত গঠন করার আহ্বান জানিয়ে ইমরান বলেন, ‘রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর চলমান গণহত্যার চিত্র সারাবিশ্বের মানুষের কাছে তুলে ধরতে জনমত তৈরি করতে হবে। যাতে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী তাদের অধিকার ফিরে পায়।’
ইমরান এইচ সরকার ঢাকাটাইমসকে জানান, সোমাবার দুপুর তিনটায় গুলশান-২ চত্বর থেকে মিয়ানমার দূতাবাসের দিকে পদযাত্রা করবে গণজাগরণ মঞ্চ।
জাতিগত বিরোধে মিয়ানমারের রাখাইনে সম্প্রতি দেশটির সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকেরা ব্যাপক হত্যা ও নির্যাতন চালিয়ে আসছে। নির্যাতনের মুখে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা ইতোমধ্যে সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে। মানবিক দিক বিবেচনা করে বাংলাদেশ সরকার তাদের আশ্রয় দিলেও জনসংখ্যাবহুল এই দেশের জন্য এটা অনেক বড় চাপ। এজন্য বাংলাদেশ মিয়ানমারের ওপর চাপ দিয়ে আসছে তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে।
রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা ও নিপীড়নের প্রতিবাদে আজ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল কর্মসূচি পালন করেছে। বিএনপি রাজধানীসহ সারাদেশে মানববন্ধন করেছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাওয়ের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এছাড়া আজ দেশব্যাপী বিক্ষোভ হয়েছে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে।
(ঢাকাটাইমস
Powered by Blogger.