Header Ads

মায়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা চলছে: সমাবেশে কানাডার এমপি

মায়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও চরমপন্থী বৌদ্ধদের নির্যাতন ও গণহত্যার প্রতিবাদে কানাডার সাসকাটনের মুসলিম সম্প্রদায় প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে।
শনিবার বিকালে কানাডার সিটি হলের বাইরে শতাধিক মানুষ জড়ো হয়ে রোহিঙ্গা গণহত্যার প্রতিবাদ জানান। তারা অবিলম্বে এই গণহত্যা বন্ধের জন্য মায়ানমারের প্রতি আহ্বান জানান।কনজারভেটিভ এমপি কেভিন ওয়াফ বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, মায়ানমারে যা হচ্ছে তা একটি পরিকল্পিত গণহত্যা।’
তিনি এবং নিউ ডেমোক্র্যাট এমপি শেরী বেনসন উভয়ই বিষয়টি পার্লামেন্ট অধিবেশনে উত্থাপনের অঙ্গীকার করেন।
সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে উপ-প্রধানমন্ত্রী ডন মরগান বলেন, মায়ানমারকে অবিলম্বে এই সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে হবে।
রাশিয়া ও চীনের হস্তক্ষেপের জন্য সমাবেশের উদ্যোক্তা ড্যানিয়েল কুহেলেন কানাডার পররাষ্ট্র মন্ত্রী চিরিস্তিয়া ফ্রিল্যান্ডের প্রতি আহ্বান জানান।
র্যা লির আয়োজক স্থানীয় ‘ইসলামি এসোসিয়েশন’ রোহিঙ্গাদের জন্য ইতোমধ্য ২৫ হাজার ডলার সহায়তা করেছে বলে কুহেলেন জানান।
একটি পৃথক সাক্ষাত্কারে ইসলামিক অ্যাসোসিয়েশনের একজন মুখপাত্র মাটিন রাজি বলেন, ‘সমস্যা সমাধানে দুই পক্ষকেই সংযম প্রদর্শন করতে হবে।’
মায়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ ও শরণার্থীদের জন্য মানবিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে কানাডা এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি জানান।
সমাবেশে উপস্থিত বক্তারা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কানাডায় প্রবেশ করতে অনুমতি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
মোমেনা মওলা নামে একজন প্রতিবাদকারী বলেন, ‘তারা (রোহিঙ্গারা) সত্যিই অসহায়, নিপীড়িত এবং তাদের ওপর যে নির্যাতন চালাচ্ছে তা এক কথায় অবিশ্বাস্য।’
তিনি সাসকাচোয়ানের একমাত্র বার্মিজ মুসলিম হিসাবে র্যা লিতে উপস্থিত ছিলেন।
তিনি রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের জন্য অর্থ সংগ্রহের জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। এ পর্যন্ত তিনি প্রায় ১,৩০০ ডলার সংগ্রহ করেছেন। তার লক্ষ্য ৪০,০০০ ডলার সংগ্রহ করা। এই অর্ধ তিনি ব্যক্তিগতভাবে শরণার্থীদের নিয়ে আসার পরিকল্পনা করেছেন বলে জানান।
সেখানে আহমদীয়া মুসলমান সম্প্রদায়ও রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে অংশ নেন।
আহমদীয়া সম্প্রদায়ের প্রেসিডেন্ট লাল খান মালিক শুক্রবার ওয়েস্টার্ন কানাডা থেকে সাসকাটনের এই র্যাালিতে অংশ নেন।
তিনি বলেন, বেশিরভাগ আহমদীয়া মুসলমান পাকিস্তান থেকে এসেছেন; যেখানে তারাও অত্যাচারিত হয়েছেন। এ কারণে আমরা রোহিঙ্গাদের কষ্টকে অনুভব করতে পারি।
তিনি আরো বলন, অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে এটাই আমাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের নীতি।
উৎসঃ   rtnn
Powered by Blogger.