Header Ads

আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরীর জ রু রী বা র্তা

আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরীর নেতৃত্বে নিঃস্ব রোহিঙ্গা মুহাজির আবাল, বৃদ্ধ, নারী, পুরুষ, শিশু এবং দুগ্ধপোষ্য সন্তানদের উপর বয়ে চলা মানবিক বিপর্যয়ের সুনামি সরেজমিন পরিদর্শন শেষে তৎক্ষণাৎ সিদ্ধান্ত মতে আমরা কক্সবাজার হেফাজতে ইসলামের মাধ্যামে এক জরুরী সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করি গত শনিবার রাতে ।
কক্সবাজারের ঐ সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত ব্রিফিং এর মাধ্যমে সময়ের করণীয় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ সমূহ পেশ করা হয়।
আমাদের দর্শন ও কর্মে রাজনীতির প্রতিকীবাদ নেই। আমরা কোন স্বার্থসিদ্ধ পথেও চলতে জানিনা। অস্পষ্ট কোন এজেন্ডা নেই আমাদের।
আমরা জাতিকে সঠিক ম্যাসেজটা পৌছিয়ে দিতে চাই।
রোহিঙ্গা সঙ্কটে আমাদের উপর অর্থাৎ মুসলিম জনগণ ও রাষ্ট্রের উপর এবং নিকটতম প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও জনগণের উপর যে দায়িত্বগুলো আরোপিত তা হলো;
১.মানবিক
২.রাজনৈতিক
৩.সামরিক
অগ্রাধিকার বলে একটা কথা আছে, আরবীতে এটাকে বলে الأولوية এবং ইংরেজীতে যেটাকে বলা হয় Priority,
সেই অগ্রাধিকার নীতির আলোকে আমাদের প্রধান কর্তব্য কী? তা আমাদেরকে বলে দিয়েছে আমাদের অভিজ্ঞতা, যে অভিজ্ঞতাটা আমরা আবিষ্কার করেছি বাংলাদেশের খোলা আকাশের নীচে বৃষ্টিভেজা রোহিঙ্গা আর্তনাদের মধ্যে।
অর্থাৎ আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া চাই মানবিক। যাতে ওপারে যারা আটকে আছে তাদের উদ্ধার কার যায়,জঙ্গলে জঙ্গলে ছুটাছুটি করা মা শিশুদের নিরাপদ স্থানে পৌছানো যায়, যেন ওদের পেটে ক্ষুদার জ্বালা না থাকে, ওদের গা যেন বৃষ্টিতে না ভিজে,বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারে,শৌচের জন্য অস্থির হয়ে যেতে না হয়,আগুন জ্বালিয়ে ভাত রান্না করতে পারে,ঝাঁকে ঝাঁকে মশার কামড় থেকে রক্ষা পেতে পারে, ডায়রিয়া ম্যালোরিয়াসহ নানা রকমের প্রকোপ থেকে রক্ষা পায়,........ইত্যাদি।
কিন্তু বঞ্চিত এ মুসলমান জনগোষ্ঠীর স্বার্থে এ সেবাকর্ম কে চালাবে? বিদেশনির্ভর সেক্যুলার রাষ্ট্র ? যে জঙ্গি জুজুর নামে ইসলামোফোবিয়ায় আক্রান্ত, আবার দুর্নীতির চরিত্রে দিব্যি খাড়া । নাকি জাতিসংঘ ? যে সাম্রাজ্যবাদী চক্রের ছদ্মবেশী সেবক। নাকি এন জি ও গুলো ? যারা কতোটা খৃষ্টান মিশনারির পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আর কতোটা বিদেশী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার জন্য গরীবের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে।
কাকে হওয়া চাই মজলুম মুসলমানের অভিবাবক?
বলার অপেক্ষা রাখেনা এ দেশের সর্ববৃহৎ সামাজিক শক্তি কওমী মহলের মত গোছানো জনবল কি কারো আছে? দুর্নীতিমুক্ত অবয়ব কি তারা ছাড়া আর কারো আছে? সুতরাং প্রয়োজন আত্মবিশ্বাসের, প্রয়োজন নবীর সীরাতের আলোকে কর্তব্যবোধকে জাগ্রত করা।
যা করণীয়:
১.স্থায়ী পরিকল্পনা,দীর্ঘমেয়াদী কৌশল।
২.শক্তিশালী ফান্ড।
৩.স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ। স্বল্পসংখ্যক স্থায়ী তত্ত্বাবধায়ক ও বিপুল সংখ্যক অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ।
৪.ঢাকা চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে মনিটরিং সেল গঠন।
আলহামদুলিল্লাহ এ কাজ গুলো গুছিয়ে আনতে আপনি কী সাথে আছেন? কীভাবে থাকতে চান?
যদি এমনটা না হয় তাহলে বাড়বে দূর্ভোগ, ধেয়ে আসবে দুর্যোগ!!!
আল্লাহ পানাহ্
Powered by Blogger.