Header Ads

জাতিসংঘে রোহিঙ্গা নির্যাতিত-নিপীড়িত মানবতার কল্যাণে বিশ্ববাসীকে এগিয়ে আসার আহবান জানালেন জমিয়তের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা শুয়াইব আহমাদ

জাতিসংঘে একাডেমি ফর কালচারাল ডিপ্লোম্যাসী আয়োজিত বার্ষিক সম্মেলনে বক্তারা বলেন,আমরা সবাই প্রত্যাশা করছি যুক্তরাস্ট্র ও জাতিসংঘে নতুন নেতৃত্বে বিশ্বের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, কূটনৈতিক এবং মানবাধিকারের ক্ষেত্রে কোন বিরূপ প্রভাব ফেলবে না বলে প্রত্যাশাা করছেন। ইতিপুর্বে যে সমস্ত দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে সেসব দেশে পরিস্থিতির পর্যবেক্ষণে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।গত ২০শে সেপ্টেম্বর ইন্সটিটিউট ফর কালচারাল ডিপ্লোম্যাসীর ডাইরেক্টর জেনারেল মিস্টার মার্ক ডনফ্রিড এর সঞ্চালনায় কীনোট স্পীকার ছিলেন সাবেক প্রেসিডেনট সাইবেরিয়া মিঃ বডিস্ট ট্যাডিক,বসনিয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী,জালাতক লাঘমোদজিয়া,বুলগেরিয়ার সাবেক প্রেসিডেনট পিটার স্টোয়নবো,সাবেক প্রেসিডেনট রোমানিয়া মিঃ উল্টাজ্যাক।
জাতিসংঘে রোমানিয়া স্থায়ী প্রতিনিধি লন জিনগা, জাতিসংঘে পানামা স্থায়ী প্রতিনিধি লাওরা ই ফ্লোরিস এইচ, জাতিসংঘে বানোয়াতো স্থায়ী প্রতিনিধি ওদো টেভি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ড.নিবা হেলিনা আলেক্সজান্ডার।
চার দিন ব্যাপী এই সিম্পেজিয়াম প্রথম দিন শুরু হয় সকাল আটটায় এবং শেষ হয় সন্ধ্যা সাতটায়।বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রায় শত ডেলিগেট এতে অংশগ্রহণ করেন।বর্তমান বিশ্বে আন্তর্জাতিক সম্পদায়ের পারস্পরিক সম্পর্ক মানবাধিকার ও বহুমাত্রিক উন্নয়নের উপর জাতিসংঘ ও আমেরিকার নতুন নেতৃত্বের প্রভাব শীর্ষক এ কনফারেন্সে বিশেষ প্রতিনিধি জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশে এর কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউ কের সভাপতি মাওলানা শোয়াইব আহমদ ছাড়াও, বাংলাদেশ সরকারের ও বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত সরকারী আমলা,মানবাধিকার ও মিডিয়া কর্মী সহ ১০জন বাংলাদেশী অংশগ্রহণ করেন।আগামী কাল ২২শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাতিসংঘেে এই প্রোগ্রাম চলবে।
ইউকের প্রতিনিধি জমিয়ত নেতা মাওলানা শোয়াইব আহমদ বলেন, মিয়ানমারে গণহত্যা বন্ধের জন্য বিশ্ব সম্প্রদায় ও মানবাধিকার সংঘঠন গুলো নিরব র্দশকের ভুমিকা পালন করছে। তাই আমাদের উচিত নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রতিবাদ করা। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের উচিত হলো মিয়ানমারকে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করা আগত রোহিঙ্গাদেরকে আশ্রয় প্রদান করা। একই সাথে অসহায় রোহিঙ্গাদের সমস্যা সমাধান ও সহায়তা প্রদান করা।অধিকার বঞ্চিত মানুষের কল্যাণে বিশ্ববাসীকে এগিয়ে আসার উদাত্ব আহবান জানান।মাওলানা শোয়াইব ইসলামী কৃষ্টি কালচার তথা তাহজীব ও তামাদ্দুন বিষয়ক আলোচনার প্রশ্ন উত্তর পর্বে হিজাব এবং পর্দা নিয়ে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন করেন।
সঞ্চালক মার্ক ডনফ্রিড বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গণতন্ত্রের নামে একনায়ক তন্ত্র শাসন চলছে,সেব দেশে মানবতা বিরোধী কর্মকান্ড চলছে এসব দেশের সাধারণ মানুষের পাশে দাড়াতে বিশ্বসম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে।তিনি আরো বলেন, বহু দেশে গণতন্ত্র নেই , এক দলীয় শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিশ্বের সকল গণতন্ত্রকামীদের দাড়ানো উচিত। বিরুধী দলের নেতা কর্মীদের ওপর অমানবিক অত্যাচার নির্যাতন বন্ধে সকল প্রবাসীদের জনমত গঠনে কাজ করতে হবে।তিনি আরো বলেন, যে দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে,সেসব দেশে জাতিসংঘের মাধ্যমে মানবাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান।বিশেষ করে বাংলাদেশ, মায়ানমার,সিরিয়া,কাশ্মীর সহ অনেক দেশ বাক স্বাধীনতা থেকে শুরু করে প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে তারা পরাধীনতার শিখলে বন্দি জীবন যাপন করছে।সেক্ষেত্রে বিশ্ব মানবাধিকার নেতৃবৃন্দ কে আরো সোচ্চার হওয়ার আহবান জানান।
উল্লেখ্য যে জাতিসংঘের ইনষ্টিটিউট ফর কালচারাল ডিপ্লোম্যাসি বিভাগের বার্ষিক আন্তর্জাতিক এ কনফারেন্সে জাতিসংঘের নিউইয়র্কে অবস্হিত সদর দপ্তরে সম্মেলন চারদিনব্যাপী কনফারেন্স অনুষ্টিত হচ্ছে।
Powered by Blogger.