Header Ads

রোডমার্চের নামে কোনো চাঁদাবাজি হয়নি, শাহিনুর পাশা চৌধুরী



রোহিঙ্গা নির্যাতনের প্রতিবাদে সিলেট থেকে টেকনাফ অভিমুখে আয়োজিত রোডমার্চ ঘিরে কোনো চাঁদাবাজি হয়নি বলে জানিয়েছেন আয়োজক সংগঠন ‘হিউমিনিটি ফর রোহিঙ্গা বাংলাদেশ’র চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য মাওলানা শাহীনূর পাশা চৌধুরী।
রোবরার দুপুর ১২টায় সিলেট নগরীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সিলেট মহানগরীর দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন রশীদ চত্বর থেকে টেকনাফ অভিমুখে বিশাল গাড়িবহর নিয়ে রোডমার্চ শুরু করে ‘হিউমিনিটি ফর রোহিঙ্গা’। দক্ষিণ সুরমার রশিদপুরে যাওয়ার পর পুলিশ রোডমার্চের গতিরোধ করে।
গাড়িবহরে ত্রাণ না থাকা এবং বিশাল গাড়িবহরের কারণে যানজট ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির পাশাপাশি প্রশাসনের অনুমতি না থাকায় গাড়িবহর আটকে দেয় পুলিশ। এছাড়া রোডমার্চ ঘিরে চাঁদাবাজিরও অভিযোগ উঠে।
এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে শাহীনূর পাশা বলেন, ‘সুস্পষ্টভাবে রোডমার্চের কথা বলেই প্রশাসনের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছে। আবেদনে ত্রাণের কথা একটুও উল্লেখ করা হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘১৩ সেপ্টেম্বর রোডমার্চের অনুমতি চেয়ে সিলেটের ডিআইজি বরাবর আবেদন করা হয়। তাতে বলা হয়, হিউমিনিটি ফর রোহিঙ্গা’র উদ্যোগে ২১-২২ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সরকারের বর্বর হামলা বন্ধে বিশ্ব বিবেককে সচেতন করতে সিলেট থেকে শুরু করে টেকনাফ পর্যন্ত রোডমার্চ করা হবে। সম্পূর্ণ অরজনৈতিকভাবে এই রোডমার্চের আয়োজন করা হয়েছে।’
শাহীনূর পাশা বলেন, ‘চলতি মাসের ৬ তারিখে সংবাদ সম্মেলন করার পর থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাত্র ১৫ দিন সময় হাতে পাই। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া পেয়ে সংবাদ সম্মেলনে আমরা আশা প্রকাশ করেছিলাম দুই শতাধিক অথবা তারচেয়েও বেশি গাড়ি আমাদের রোডমার্চে থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের কর্মসূচির সফলতা দেখে কতিপয় লোক প্রচার করে আমরা ত্রাণের কথা বলে মোটা অংকের চাঁদা সংগ্রহ করেছি যা সত্য নয়। আমরা জেলায় জেলায় সফর করে মানুষকে রোডমার্চ কাফেলায় স্ব-উদ্যোগে গাড়ি নিয়ে হাজির হওয়ার জন্যে আহ্বান করেছি। গাড়িভাড়া করে মানুষকে নিয়ে যাওয়ার সেই অঢেল সম্পদ আমাদের নেই। যারা রোডমার্চে অংশ নিয়েছেন তারা স্ব-উদ্দ্যোগে নিয়েছিলেন।’
ওই ১৫ দিনের আয়-ব্যয়ের হিসাব দেখিয়ে শাহীনূর পাশা বলেন, ‘আমাদের পোস্টার-লিফলেট, ব্যানার, সংবাদ সম্মেলন, গণসংযোগ ও গাড়িভাড়াসহ মোট খরচ হয়েছে ৩ লাখ ৫২ হাজার ২৫৩ টাকা। আর মোট অনুদান এসেছে ৩ লাখ ১৪ হাজার ৭ টাকা। ঘাটতি রয়েছে ৩৮ হাজার ২৪৬ টাকা।’
এসময় রোডমার্চে অনুদান দেওয়া ব্যক্তি ও সংস্থার নামের তালিকাও দেখান আয়োজন সংগঠনের চেয়ারম্যান। এই তালিকায় রয়েছে লন্ডন প্রবাসী থেকে শুরু করে দেশের সাধারণ পথচারী।
Powered by Blogger.