Header Ads

মিয়ানমারে যাওয়ায় খাদ্যমন্ত্রী কামরুলের সমালোচনায় ফেসবুক সরগরম

চাল আনার উদ্দেশে মিয়ানমারে গমন করায় খাদ্যমন্ত্রী অ্যাড. কামরুল ইসলামের সমালোচনায় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক সরগরম হয়ে উঠেছে।
এই সফর সম্পর্কে নেতিবাচক পোস্টের সংখ্যাই বেশি দেখা যাচ্ছে।
৬ সেপ্টেম্বর চাল আমদানির চুক্তি করতে খাদ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মিয়ানমারে গমন করেন। দলটি মিয়ানমার থেকে বছরে ১০ লাখ টন চাল আমদানির ব্যাপারে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর (এমওইউ) করবে। পাশাপাশি দ্রুত ২ থেকে ৩ লাখ টন চাল আমদানির ব্যাপারেও চুক্তি করার আশা করছে তারা।
এ গমন সম্পর্কে Matin Mohammad নামক ফেসবুক আইডি ‘খাদ্যমন্ত্রীর সওদাগরী’ শিরোনামের একটি পোস্টে লিখেছে- এ যেন গেলাম, দেখলাম এবং কিনলাম। যেটাকে সওদাগরী বলে। অর্থাৎ আমাদের খাদ্যমন্ত্রী মিয়ানমারে গিয়েছিলেন জনগণের টাকায় সওদাগরী করতে! দেশ না-কি খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এমন কথা বেশ কিছু দিন আগেই খাদ্যমন্ত্রী বলেছিলেন। হ্যাঁ, এ কথা সত্য যে উত্তরাঞ্চলে এই বার স্বরণকালের ভয়াবহ বন্যা হয়েছে। সেই কারণে চাল উৎপাদন আগামীতে ব্যাহত হতে পারে। তাই আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, দেশে খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে। যা হোক, মন্ত্রী মহোদয়, চাল আমদানী করতেছেন, করেন। কোনও আপত্তি নাই। তবে ওভার ইনভয়েসিং এর মাধ্যমে এইবারও যেন পঁচা গমের মত, পঁচা চাল আমদানী করা না হয়। তা না হলে কিন্তু পঁচা কামরুলের খেতাব থেকে আপনি রেহাই পাবেন না।’
ফারুক আজম নামক আইডি থেকে পোস্ট দেয়া হয়েছে- ‘চাল আমদানী করতে মিয়ানমারে গেলেন খাদ্যমন্ত্রী। বাহ! বাহ! বাহ!’
Sayyadur Rahman Chowdhury নামক আইডি লিখেছে, ‘সম্পর্ক হয় আস্থা ও বিশ্বাসে। ১০ লাখ টন চাল কিনতে খাদ্যমন্ত্রী সস্ত্রীক মিয়ানমারে – এটাই আস্থা, এটাই বিশ্বাস…’
Abdur Rahman নামক আইডি থেকে বলা হয়েছে- মায়ানমারে খাদ্য মন্ত্রীর পিকনিক!!! চাল আনতে সচিব ও স্ত্রীসহ মিয়ানমারে খাদ্যমন্ত্রী
এসব ছাড়াও এমন কিছু পোস্ট ও বিভিন্ন পোস্টের কমেন্টে খুব ঝাঁঝালো ও অশ্লীল শব্দ-বাক্য ব্যবহার করা হয়েছে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের উদ্দেশে।
আস
Powered by Blogger.