Header Ads

কুরবানীর চামড়া কওমী মাদ্রাসার লিল্লাহ বোর্ডিং ও এতিমখানায় দান করাই উত্তম, তুহিন মালিম



কুরবানীর পশুর সব কিছুই আল্লাহর উদ্দেশ্যে। তাই তার কোনো অংশই বিক্রি করা নিষেধ। তার গোশত যেমন বিক্রি নিষেধ। তেমনি তার চামড়া বিক্রি করাও নিষেধ। কুরবানীর পশুর মাংশ-চামড়াসহ কোনো কিছুই কশাইকে তার পারিশ্রমিক হিসাবে দেওয়া যাবে না। [মুসলিম-১৩১৭ হাদিসের সূত্র মোতাবেক]
কুরবানীর পশুর চামড়া কুরবানীদাতা নিজেও ব্যবহার করতে পারবে। তবে কেউ যদি নিজে ব্যবহার না করে বিক্রি করে, তবে বিক্রিলব্ধ মূল্য পুরোটা গরীব-মিসকীনদের মাঝে সদকা করা জরুরি।
তবে কুরবানীর চামড়া কওমী মাদ্রাসার লিল্লাহ বোর্ডিং ও এতিমখানায় দান করাই উত্তম। ইনশাআল্লাহ, এতে সওয়াব পাওয়া যাবে কয়েকগুণ বেশী। যেমন:-
১। গরীবদের দান করার সওয়াব পাওয়া যাবে;
২। অধিকাংশ মাদ্রাসার লিল্লাহ বোর্ডিংয়ে যেহেতু এতিম-অনাথরা পড়াশুনা করে, তাই এতিমদের দান করার সওয়াব পাওয়া যাবে;
৩। দ্বীনি এলমের প্রচার প্রসারে সাহায্য করার সওয়াব পাওয়া যাবে;
৪। চব্বিশ ঘন্টা আল্লাহর পবিত্র কালাম শিক্ষার কাজে সহায়তার সওয়াব পাওয়া যাবে;
৫। বর্তমানে দ্বীনি শিক্ষার বিরুদ্ধে নানাবিধ নেতিবাচক প্রপাগান্ডার কারনে লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের ছাত্রদের দ্বীনি শিক্ষার অর্থ প্রাপ্তিতে যে বাঁধার সৃষ্টি হচ্ছে, তাতে কুরবানীর চামড়ার মত উত্তম খাত আর কি হতে পারে।
যেহেতু কুরবানীর চামড়ার দাম দিয়ে রাস্তা-ঘাট, মসজিদ-মাদ্রাসার নির্মাণ কাজ, বেতন-পারিশ্রমিক বাবদ বা অন্য কোন নেক কাজে ব্যবহার করা যাবে না। সেহেতু কুরবানীর চামড়া কওমী মাদ্রাসার লিল্লাহ বোর্ডিং ও এতিমখানায় দান করাই উত্তম।
Powered by Blogger.