Header Ads

প্রধান বিচারপতি সিনহা পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের রায়ে অনুপ্রাণিত হয়ে ষোড়শ সংশোধনীর রায় দিয়েছেন : শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক

বিচার বিভাগ নিয়ে দেশের মধ্যে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এটা প্রধান বিচারপতি ইচ্ছা করে সৃষ্টি করেছেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব অস্বীকার করে ইতিহাস বিকৃত করেছেন। তিনি যদি এত নীতিবান হন তাহলে আপিল বিভাগের প্রাক্তন বিচারপতির বিরুদ্ধে তদন্ত বন্ধ করে দিয়েই প্রমাণ করলেন যে তিনি কোনো নীতিবান লোক নায়। তিনি পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের রায় থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই এইসব কাজ করছেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি ব্যারিস্টার শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক।
চ্যানেল আইয়ের ‘তৃতীয় মাত্রা’ অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, প্রধান বিচারপতি মনে করেছিলেন যে, পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের মত একটি রায় দিবেন এবং সরকার চলে যাবে। কিন্তু এটা যে পাকিস্তান না আর শেখ হাসিনাও যে নওয়াজ শরিফও না সেটা আর তার মাথায় আসেনি। শুধু এই নয় তার কর্মের আরও অনেক কথা আছে যেগুলো আমি এইটুকু সময়ের মধ্যে বলতে পারছি না। তবে সময় হলে সব বলবো।
বিচারপতি ব্যারিস্টার শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, তিনি যাই বলুন, সঠিক পথে সঠিক ইস্যুতে থেকে কথা বলুন। কিন্তু তিনি রাজনৈতিক বক্তৃতা কেনো দিবেন ? তিনি যা ইচ্ছা তাই বলছেন, তাই করছেন । তিনি সংসদের ৪০ শতাংশ মহিলা সদস্য নিয়ে একটি অনর্থক সংশোধন দিয়ে রেখেছেন। যেখানে তিনি বাংলাদেশের নারীদের অবমাননা করেছেন। এটা তার কাছ থেকে জাতি আশা করে না। তাই আমি মনে করি প্রধান বিচারপতি ইচ্ছা করেই দেশের মধ্যে ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছেন, গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার জন্য। আর এটাই তার একমাত্র উদ্দেশ্য। যার কারণেই তিনি এই সব অবান্তর এবং অপ্রাসঙ্গিক কথাগুলো টেনেছেন এবং বলে যাচ্ছেন।
ব্যারিস্টার মানিক বলেন, প্রধান বিচারপতি বড় বড় নীতির কথা বলেন, তাহলে আমার প্রশ্ন হলো তিনি কিভাবে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মামলা যখন তার আদালতে, তখন কিভাবে সাকার পরিবারে সাথে সাক্ষাত করেন। যেখানে তিনি জানেন যে, নি¤œ আদালতের কোনো বিচারক যদি আসামির কোনো স্বজনের সাথে দেখা করেন তাহলে ঐদিনই তার চাকরি চলে যেতে পারে। কিন্তু এই কাজটি তিনি করেছেন এবং নিজেও সবার সামনে স্বীকার করেছেন যা আমরা সকলে জানি।
তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতির উদ্দেশ্য হচ্ছে, গণতন্ত্রকে ধ্বংস করা। সুতারং তার সব কিছু উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তার কথা বা রায় যদি প্রাসঙ্গিক হতো তাহলে এত আলোচনা, এত কথা উঠতো না। তার সব কিছুই ছিল অপ্রাসঙ্গিক। তিনি রাজনৈতিক বক্তৃতা দিয়েছেন।আস
Powered by Blogger.