Header Ads

কাশ্মিরের মুক্তিকামীরা সন্ত্রাসী নয়: পাকিস্তান সেনাবাহিনী

কাশ্মিরের স্বাধীনতাকামীদের ভারত সন্ত্রাসী হিসেবে চিত্রায়িত করতে পারে না বলে মনে করে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। সোমবার ইসলামাবাদে এক সাংবাদিক সম্মেলনে সেনাবাহিনীর প্রধান মুখপাত্র মেজর জেনারেল আসিফ গফুর এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, কাশ্মিরের চলমান স্বাধীনতা আন্দোলনের গায়ে ভারত সন্ত্রাসবাদের তকমা লাগাতে চাচ্ছে। তবে এই উপত্যকায় দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলন একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্বাধীনতা আন্দোলন – এ কথা সবাইকে মনে রাখতে হবে।সেনা ও বেসামরিক প্রশাসনের মধ্যে অচলাবস্থার গুজব বাতিল করে দিয়ে জেনারেল গফুর বলেন, কোন বিষয়ে মতবিরোধ হলেই তাকে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিরোধ হিসেবে চিহ্নিত করা ঠিক নয়। আমরা সবাই এক।
তিনি বলেন, কোন বিষয়ে সঠিক মনে করলে সে বিষয় তদন্ত করে দেখার ক্ষমতা একান্তই সরকারের। এমনকি ‘ডন লিক’ও এর বাইরে নয়।
জেনারেল গফুর অপারেশন খাইবার-৪ এর সফল সমাপ্তির কথা ঘোষণা করে বলেন, প্রতেক সন্ত্রাসী এই অপারেশনের লক্ষ্যবস্তু ছিলো।
গত ১৬ জুলাই সেনাবাহিনী আফগান সীমান্তবর্তী উপজাতীয় এলাকায় এই অপারেশন শুরু করে। এই অঞ্চলের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ মজবুত করার পাশাপাশি সেখানে আইএস যেন ঘাঁটি গাড়তে না পারে তার ব্যবস্থা করা ছিলো এই অপারেশনের লক্ষ্য।
মুখপাত্র জানান, এই অপারেশনে সেনাবাহিনীর দুই সদস্য নিহত ও ১৫ জন আহত হয়। আর সন্ত্রাসী নিহত হয় ৫২ জন। আহত হয় ৩১ জন। ৪ সন্ত্রাসী স্বেচ্ছায় ধরা দিয়েছে।
তিনি বলেন, ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ এন্ড এনালাইসিস উইং (র) এবং আফগানিস্তানের ন্যাশনাল ডাইরেক্টরেট অব সিকিউরিটি (এনডিএস)-এ হয়ে এসব সন্ত্রাসী সাম্প্রদায়িকতা উষ্কে দেয়ার কাজ করছিলো।
জেনারেল গফুর জানান যে, এ বছর আফগান সীমান্তের ওপর থেকে আড়াই শতাধিক হামলা ব্যর্থ করে দেয়া হয়েছে। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর আত্মঘাতি হামলার পরিকল্পনা করছিলো এমন এক জঙ্গিকে আটক করার কথা তিনি ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, এই মুহূর্তে দেশের কোন সন্ত্রাসী সংগঠনের সুসংগঠিত কাঠামো নেই। অপারেশনকালে ১৫২টি ভূমিমাইন নিস্ক্রিয় করা হয় বলেও তিনি জানান।
জেনারেল গফুর উল্লেখ করেন যে, করাচিতে ২০১৭ সালে মাত্র একটি ঘটনা ঘটেছে। নগর এলাকায় সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানের তাৎপর্যপূর্ণ ফল পাওয়া গেছে।
উৎসঃ   southasianmonito
Powered by Blogger.