Header Ads

পচা গমের কারবারি খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের আবার নৈতিকতা


সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের জন্য প্রধান বিচারপতির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের হুমকি দেওয়ায় খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের সমালোচনা করেছে বিএনপি।
শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী তার বক্তব্যকে ‘চরম ঔদ্বত্যপূর্ণ ও স্বাধীন বিচার বিভাগের প্রতি হুমকি’ বলে বর্ণনা করেন।
তিনি বলেন, “যিনি পচা গমের বেসাতি করেন তিনি প্রধান বিচারপতিকে চলে যাওয়ার উপদেশ দিচ্ছেন। খাদ্যমন্ত্রী কামরুল সাহেব, আপনি কোন নৈতিকতা নিয়ে কথা বলছেন।
“আপনি তো সর্বোচ্চ আদালতে দোষী ও দণ্ডিত অপরাধী। আপনি সংবিধান রক্ষার শপথ ভঙ্গ করে এখনো মন্ত্রী হিসেবে বহাল আছেন। বিশ্বে এমন নজির কোথাও আছে সর্বোচ্চ আদালতে দণ্ডিত ব্যক্তি মন্ত্রী হিসেবে বহাল থাকতে পারে?
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক আলোচনা সভায় আইনজীবী কামরুল প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার পদত্যাগ দাবি করে বলেন, “তার (প্রধান বিচারপতি) যদি সামান্যতম জ্ঞান থাকে, সামান্যতম বুঝ থাকে তাহলে স্বেচ্ছায় চলে যাবেন। তা না হলে সেপ্টেম্বর মাস থেকে আইনজীবীরা তার বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবেন।”
“বিএনপির সঙ্গে বন্ধুত্ব করে, বিএনপির সুরে কথা বলে, মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের সঙ্গে আঁতাত করে বেশি দিন এই মসনদে থাকতে পারবেন না।”
খাদ্যমন্ত্রীর ভাই ঢাকা শহরের সবচেয়ে বড় ‘রাজাকার কমান্ডার ও ‘পিস কমিটির’ নেতা ছিলেন বলে মন্তব্য করে রিজভী বলেন, “আজকে যদি নেকড়ে-শৃগালকে মুরগির খোঁয়াড়ের নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তাদের (মুরগির) নিরাপত্তার জন্য যদি শৃগালরা কাঁদে বা নেকড়ে যদি হা-হুতাশ করে তাহলে কেমন লাগে?
“যাদের সৃষ্ট সন্ত্রাসে গোটা বাংলাদেশ রক্তাক্ত; যারা সব প্রতিষ্ঠান ভেঙে তছনছ দিয়েছে, মানুষের ভোটাধিকার থেকে শুরু করে আইনের আশ্রয়লাভের সকল জায়গায় একের পর এক ধ্বংস করে দিয়েছে, তারা আজকে দেশের প্রধান বিচারপতিকে উপদেশ দিচ্ছে।”
নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের এই সংবাদ সম্মেলনে দেশজুড়ে দলের সদস্য সংগ্রহ অভিযানে পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের ‘ক্যাডাররা’ বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপির জেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব।
তিনি বলেন, “গতকালও যশোর, ময়মনসিংহ ও ঝিনাইদহসহ বিভিন্ন জেলাতে তিন শতাধিক গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবুল খায়ের ভুঁইয়া, যুগ্ম মহাসচিব মাহবুবউদ্দিন খোকন, হারুনুর রশীদ, কেন্দ্রীয় নেতা সানাউল্লাহ মিয়া, হাবিবুল ইসলাম হাবিব ও মীর সরফত আলী সপুও বক্তব্য রাখেন।
উৎসঃ   বিডিনিউজ২৪
Powered by Blogger.