Header Ads

ত্রাণের জন্য হারাতে হলো কোলের নিষ্পাপ শিশু জান্নাতিকে, এ যেন আঘাতের উপর বজ্রাঘাত !


 লালমনিরহাট প্রতিনিধি:  সোনালী ব্যাংকের এমডির দেয়া ১০ কেজি চাল ও ৩ কেজি ত্রাণের আলু জন্য হারাতে হলো কোলের নিষ্পাপ শিশু জান্নাতিকে। এ যেন আঘাতের উপর বজ্রাঘাত। শুক্রবার বিকালে বাড়ির উঠানের গর্তের পানিতে পড়ে মারা যায় সে।  জান্নাতি লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার মধ্য গড্ডিমারী এলাকার রিকশাচালক আনোয়ার হোসেনের মেয়ে।
এলাকাবাসী জানান, বন্যার্ত গড্ডিমারী মেডিকেল মোড় এলাকায় অনেক জায়গা আছে সেখানে ১০হাজার লোককে একত্রে ত্রাণ দেওয়া সম্ভব। এরপরেও ৪কিঃমিঃ দুড়ে ত্রাণ বিতিরণ কি কারণে করা হলো এর উত্তর কারো জানা নাই।
 
গড্ডিমারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান বলেন, গত বন্যায় পানির স্রোতে আনোয়ার হোসেনের বসত বাড়ি ভেঙ্গে গেছে। বসত বাড়িতে একটি গর্ত হয়। আর্থিক সংকটের কারণে ওই গর্ত এখনো ভরাট করা সম্ভব হয়নি তাদের। বর্তমানে সরকারি ত্রাণে চলছে তাদের সংসার।
গতকাল শুক্রবার বিকালে সোনালী ব্যাংকের এমডির দেয়া ত্রাণের ১০ কেজি চাল ও ৩ কেজি আলু আনার জন্য পাশের মিলন বাজারের  আবুল হোসেন আহম্মেদ মাদরাসায় আসেন মা জাহানারা বেগম। ত্রাণ নিয়ে বাড়ি ফিরে দেখেন ছোট মেয়ে জান্নাতি বসতবাড়ির সেই গর্তের পানিতে পড়ে মারা গেছে।
জান্নাতির মা জাহানারা বেগম জানান,   কাছাকাছি ত্রাণ দিলে দুটি ছেলেমেয়েকে নিয়ে যাই কিন্তু সেদিন ৪কিমিঃ দূরে ত্রাণ দেওয়ায় মেয়েকে বাড়িতে রেখে গেছি আর বাড়ি ভেঙ্গে যে গর্ত হয়েছে তাতে পানি ছিলো সেই পানিতে পরে মারা গেছে জান্নাতি! বাড়ির পাশে যদি ত্রাণ দিতো তাহলে হয়তো আজ আমার কোলের সন্তান মারা যেতো না।
Powered by Blogger.