Header Ads

ওবায়দুল কাদেরকে দেখলেই বিজ্ঞাপনের কথা মনে পড়ে গয়েশ্বরের


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকেও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সমালোচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, কত কথা বলেরে-টিভিতে এমন একটি বিজ্ঞাপন হয়। ওবায়দুল কাদেরকে দেখলেই এ কথাটা মনে হয়। এর কথা বলতেই হবে। এত মিথ্যা কথা বলতে পারে। বিএনপি এবং আমাদের নেত্রীকে নিয়ে এত মিথ্যা ও অশোভন ভাষা ব্যবহার করে, তার উত্তর দিতে হলে যা প্রয়োগ করা দরকার তাতে আমরা অভ্যস্ত নই।

শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রজন্ম-৭১ এর ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে  এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় করণীয় শীর্ষক ওই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢালী আমিনুল ইসলাম ঢালী। এতে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুস সালাম আজাদ, আসিফা আশরাফী পাপিয়া, কাজী আবুল বাশার প্রমুখ।

এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদায়ের আগে তৃতীয় কোনো শক্তির হাতে ক্ষমতা তুলে দেবেন বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন গয়েশ্বর ।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও  বিচার বিশ্লেষণে যেটুকু বুঝি দেশে শেখ হাসিনা আরেকটা নির্বাচন করবে না, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি মার্কা নির্বাচনও করতে পারবে না। তাহলে কী হবে। যারা তাদের বসিয়েছে তাদের কাছে বলবে, আমি এতদিন চালাইলাম, এখন তোমরা চালাও। খালি আমাকে একটু দেখো, রাস্তায় যেন কেউ ইট পাটকেল না মারে।

তিনি আরও বলেন, এদেশে  শেখ হাসিনা আর গণতন্ত্র  প্রতিষ্ঠিত হতে দেবে না। কারণ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলে ক্ষমতাসীনদের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত নেতাকর্মীদের ভিড়ে নিম্ন আদালত, উচ্চ আদালত ও জেলখানা বড় করতে হবে, তাদের জায়গা দেয়া যাবে না। এত খুন, গুম, লুটপাট, দুর্নীতি এগুলো তো আসবে। এগুলো যখন আসবে তখন তো জায়গা দেয়া যাবে না।

সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে গণতন্ত্রের জন্য বিষ আখ্যা দিয়ে বিএনপির বলেছেন, তাকে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। একটা রায় (ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল) দিয়ে গণতন্ত্র ধ্বংসের শেষ মাথায় নামিয়ে দিয়েছে।

তিনি বলেন, সর্বোচ্চ আদালতের রায় নিয়ে সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা যা বলছেন তাতে দু-একজন ছাড়া অর্থমন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রীসহ মন্ত্রিপরিষদের সবাইকে আদালত অবমাননার কারণে কাঠগড়ায় থাকার কথা। 
Powered by Blogger.